Skip to main content

শুন্যকক্ষ


শুন্যকক্ষে এক অদৃশ্য শোক,
দেয়াল বেয়ে পড়ে তছনছ আলো,
মেঝেতে পড়ে থাকা স্মৃতির টুকরো,
যে কক্ষ একদিন ছিল আমাদের ডালপালা।

বাতাসে মিশে থাকে এক নিঃশব্দ গুঞ্জন,
কেউ আর আসে না, কক্ষটি যেন স্তব্ধ,
চোখের আড়ালে আছড়ে পড়ে অমলিন আশ্রয়,
অতীতের কোন এক অক্ষয় একাকীত্ব।

বছর পেরিয়ে যায়, নতুন কেবল সময়,
কিন্তু শুন্যকক্ষে অম্লান থাকে পুরনো কথা,
তোমার স্পর্শ, তোমার হাসি,
এখনো প্রতিধ্বনিত হয় দেয়ালে দেয়ালে।

শুন্যকক্ষ আর নিঃস্ব,
কিন্তু কোনো এক প্রান্তে,
হৃদয়ের গভীরে,
তুমি, আমি, আমাদের স্মৃতির অস্থিরতা।

Comments

Popular posts from this blog

শিশির ভেজা সকাল

 ভোরের হাওয়া মৃদু ছোঁয়ায়, ঘুম ভাঙে এক মিষ্টি সুরে, শিশির ভেজা ঘাসের কোলে, সূর্য হাসে সোনার পুরে। পাখির ডাকে জাগে বাগান, ফুলের গায়ে শিশির দান, নদীর জলে লাল রোদের ছায়া, নতুন দিনের নতুন গাঁথা। মাটির গন্ধ, নরম কুয়াশা, পাহাড় ডাকে, জাগে আশা, সবুজ পাতায় রোদের লীলা, মনের মাঝে বাঁধে মেলা। এই সকালেই স্বপ্ন গড়ি, আলো হাতে ছুটে চলি, নতুন পথে, নতুন ভোরে, জীবন গানে সুর ধরি।

ভ্রান্তি

ভ্রান্তি ছিল, বিশ্বাস ছিল, এ পৃথিবী ছিল এক চিরন্তন সাজ, তবে স্বপ্নের মায়ায় বুঁদ হয়ে হঠাৎ দেখলাম—একটি ভুল পথের সাজ। যে পথটা আঁকা ছিল সোনালী, সে পথেই ছিল অন্ধকার, তবে আমরা বিশ্বাস করেছিলাম, মনে হয়েছিল, স্বপ্নটাও ছিল মিথ্যা। ভ্রান্তি, তুমি যে আমার সঙ্গী ছিলে, আমার অদৃশ্য আলোর মতো, তুমি এসে ঠেলে দিলে সামনে, একটা মরীচিকার মতো। এখন বুঝি, ভ্রান্তি যে ছিল, ভালবাসার চেয়েও সত্যি, তবুও, তোর সঙ্গেই যেন ছিল এক অদ্ভুত শান্তি, এক মিথ্যা সুখ।

নদীর কাব্য

 নদী বয়ে চলে আপন মনে, গভীর রহস্য স্রোতের তলে। কখনো শান্ত, কখনো উন্মাদ, গল্প বলে সে সারাক্ষণ নিরবধি সাধ। সকাল বেলায় রোদ্দুর মেখে, কাঁচা সোনার ছোঁয়া তার বুকে। পাখিরা আসে জল ছুঁয়ে যায়, তরঙ্গে বাজে সুর অজানায়। বর্ষার দিনে দুরন্ত সে হয়, স্রোতের বুকে জোয়ার বইয়ে রয়। তীরভাঙা সেই কান্নার সুরে, গাছপালা নাচে ভিজে জলধারে। পথিকের তৃষ্ণা মেটায় নদী, কৃষকের স্বপ্নে বয়ে যায় নিরবধি। শিশুরা খেলে কূলে-কূলে, তাদের হাসি মিশে যায় জলে। কখনো ক্লান্ত, কখনো ধীরে, অবিরাম চলে সাগরের তীরে। নদী যে কবিতা, নদী যে গান, প্রকৃতির বুকে এক চিরকালীন প্রাণ। 1/2 4o